Home / News / Coronavirus Latest News of Bangladesh

Coronavirus Latest News of Bangladesh

লক্ষণ ছিল না, পরীক্ষায় হাসপাতাল কর্মচারীর করোনাভাইরাস শনাক্ত

রপুরে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মচারীর পর এবার ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মচারীর (৩৫) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শ্রীবরদীতে নতুন করে এক শিশুও (১০) আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় চারজন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মচারীকে হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারের একটি আলাদা ভবনে ও শিশুটিকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শ্রীবরদী উপজেলার সাতানী শ্রীবরদী এলাকার আরও ২০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়। এ ছাড়া ঝিনাইগাতী উপজেলা হাসপাতালের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ওই দুই রোগীর পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) মো. জসিম উদ্দিন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, করোনায় আক্রান্ত ওই কর্মচারী বৃহস্পতিবারও তাঁর কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে তাঁর শরীরে করোনার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। এমনকি তাঁর কোনো হাঁচি, কাশি বা জ্বরও ছিল না। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি উপজেলা থেকে দুজনের করে করোনা পরীক্ষার নির্দেশনার অংশ হিসেবেই ওই কর্মচারীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরীক্ষায় করোনা ‘পজিটিভ’ পাওয়া গেছে। শনিবার তাঁর (ইউএইচএফপিও) ও হাসপাতালের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হবে বলে জানান তিনি।

শেরপুরের সিভিল সার্জন এ কে এম আনওয়ারুর রউফ শুক্রবার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, করোনা সন্দেহে আক্রান্ত দুজনসহ ২১ জনের শরীর থেকে গত বুধবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে পরীক্ষার জন্য সেসব নমুনা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অণুজীববিজ্ঞান (মাইক্রোবায়োলজি) বিভাগে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যায়। তাতে ওই দুজনের শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ বলে নিশ্চিত করা হয়। বাকি ১৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সামাজিক সংস্পর্শের কারণে তাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, জেলা সদর হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ইতিপূর্বে করোনায় আক্রান্ত দুই নারীসহ চার রোগীর শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভালো আছে। নতুন আক্রান্ত শিশুটি করোনায় আক্রান্ত শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নারী কর্মচারীর নাতি।

গত রোববার শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মচারীর করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর উপজেলার সাতানী শ্রীবরদী এলাকার ২০টি বাড়ি, একটি স্টুডিও ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার লকডাউন করা হয়। বর্তমানে তিনি ও করোনায় আক্রান্ত সদর উপজেলার এক গৃহবধূ জেলা সদর হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।

About Abdullah

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *